দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর ড্রোন হামলার চেষ্টার অভিযোগে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, পবিত্র মক্কা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ও পবিত্রতম স্থান। সেখানে যেকোনো ধরনের হামলার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া সবার নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘পবিত্র মক্কা নগরী আল্লাহ তা’য়ালার ঘর কা’বার কারণে সম্মানিত। এটি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ও পবিত্রতম স্থান। এখানে যেকোনো প্রকার হামলা চালানো হলে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং নিন্দা জানানো আমাদের নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব।’
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় এই নেতা আরও বলেন, ‘এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। হামলাকারী হুতি হোক কিংবা যে কেউ হোক, এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
এর আগে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর ছোড়া একটি ড্রোন ভূপাতিত করে সৌদির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়। হুতিদের পক্ষ থেকে মক্কাকে লক্ষ্য করে এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা বলেও দাবি করেছে জোট।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেন, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি শনাক্ত করে ধ্বংস করে। নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়। পরে এর ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণে গিয়ে পড়ে।
আল-মালিকি বলেন, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয়বারের মতো হামলার চেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ ও সেখানে আসা মুসল্লিদের নিরাপত্তা ‘রেড লাইন’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা ঠেকাতে জোট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর একদিন আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এমএম/